Ficool

Chapter 2 - chapter 2

Sumaiya sumu

বিকালে পড়তে গিয়ে পড়া শুরু করার আগে মিহি বক্তব্য আগে পেশ করে

' কাল যেনো কে আমার কাছে রেজাল্ট জিজ্ঞাসা করেছিলো

_আমি করেছিলাম, রেজাল্ট দেখেছো

_হ্যাঁ, আমি ৪.৫০পেয়েছিলাম, অসুস্থতার কারণে ভালো করে পরীক্ষা দিতে পারিনি, তা আপনার রেজাল্ট কি ছিলো

হিমেল খুব স্বাভাবিক ভাবে উত্তর দিলো

_আমার রেজাল্টও তেমন ভালো হয়নি, যা আশা ছিল তা পায়নি,

মিহি খুব কষ্ট পাওয়ার ভান করে বললো মন খারাপ কইরেন না, রেজাল্ট একতা হইলেই হয়, তা পয়েন্ট কতো ছিলো

_৫.০০

_অ্যায়!

_আসলে গোল্ডেন আশা করেছিলাম

মিহি কোনো কথা খুঁজে না পেয়ে বললো অল্পতে খুশি না থাকলে আল্লাহ নারাজ হয় আর আপনি বেশি পেয়েও এমন বলছেন, আপনি তো পাপী বান্দা

হিমেল কোনো কথা না বলে মিহির দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো, আসলে প্রথম দেখায় পছন্দ হওয়ার ব্যাপারটা ঘটে গেছে যে। যে ছেলের মেয়ে মানুষে এলার্জি সেই ছেলে মিহির সাথে গুছিয়ে কথা বলছে এটা বন্ধু মহল সহজে মেনে নিতে পারছে না,

মিহিকে প্রথম দেখায় পছন্দ হবে না কেন। মিহি যে পুরাই আগুনের গোলা, আর রসগোল্লার মতো চেহারা, এক্কেবারে কিউটের ডিব্বা, আবার মাথার চুল দেখে যে কেউ বলবে কেশবতী, কিন্তু মিহির চুল প্রায় সময় বাধা আর মাথায় ওড়না থাকে। মিহির রুপে মুগ্ধ হয়ে অনেক ছেলের লাইন পড়ে আছে কিন্তু মিহির কোনো ছেলে কেই পছন্দ হয় না তবে হিমেলকে দেখার পর এমনটা মনে হয়নি।

বলা যায় হিমেলের থেকে মিহির মনটা বেশি এগিয়েছে।

তাই তো হিমেলের চৌদ্দগোষ্ঠীর পরিচয় বের করেছে একদিনে, দূঃখের বিষয় হলো হিমেল সিঙ্গেল না, তার পছন্দের কেউ আছে কিন্তু সে কে তার খোঁজ মিহি পায়নি, তবে বিশ্বাস করতে পারছে না হিমেল সিঙ্গেল না। কিছু দিন কথা বলে মনে হয়নি হিমেল প্রেম করতে পারে, যাই হয়ে যাক হিমেলকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করতে হবে।

আরো একটা সমস্যা হিমেলের বাবা চাচারা খুব বড়োলোক, আর মিহি হলো গরিব ঘরের মেয়ে, বাবা দিন আনে দিন খায়, হিমেলের পরিবার কি কখনো মেনে নেবে তাদের, তাছাড়া হিমেল কি চাইবে মিহিকে জীবন সঙ্গী করতে।

More Chapters