Ficool

Chapter 1 - Unnamed

পৌরাণিক এবং বৈজ্ঞানিক উভয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মানুষের উৎপত্তি বা বিবর্তনের ধারণা নিচে দেওয়া হলো:১. পৌরাণিক উৎপত্তি (হিন্দু পুরাণ অনুসারে)হিন্দু ধর্মগ্রন্থ অনুসারে, ব্রহ্মা মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় প্রথম মানব ও মানবী সৃষ্টি করেছিলেন। মনু ও শতরুপা: ব্রহ্মা তাঁর শরীরকে দুভাগে বিভক্ত করে প্রথম পুরুষ মনু এবং প্রথম নারী শতরুপা সৃষ্টি করেন [১.৩.১, ১.৩.৫]।মানব শব্দের উৎপত্তি: 'মনু' থেকে মানুষের জন্ম হয়েছে বলেই সংস্কৃতে আমাদের 'মানব' বা 'মনুষ্য' বলা হয় [১.৩.১, ১.৩.৪]।বংশবিস্তার: মনু ও শতরুপার পাঁচটি সন্তান ছিল (দুই পুত্র ও তিন কন্যা), যাদের মাধ্যমে পৃথিবীতে মানবজাতির বিস্তার ঘটে [১.৩.২, ১.৩.৭]। ২. বৈজ্ঞানিক বিবর্তন (Science of Evolution)বিজ্ঞান অনুসারে, মানুষ কোনো একক ব্যক্তি থেকে হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি, বরং লক্ষ লক্ষ বছরের বিবর্তনের ফল। সাধারণ পূর্বপুরুষ: মানুষ এবং আধুনিক বানর বা শিম্পাঞ্জি প্রায় ৭০ লক্ষ বছর আগে একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ (Common Ancestor) থেকে আলাদা হয়ে বিবর্তিত হয়েছে [১.২.৫, ১.৪.৩]।হোমো স্যাপিয়েন্স (Homo sapiens): আধুনিক মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম হলো হোমো স্যাপিয়েন্স। এরা প্রায় ২ লক্ষ বছর আগে আফ্রিকা মহাদেশে প্রথম উদ্ভূত হয় [১.২.৫, ১.২.৬]।বিবর্তনের ধাপ: মানুষের বিবর্তনের প্রধান কয়েকটি ধাপ হলো:অস্ট্রালোপিথেকাস (Australopithecus): যারা প্রথম দুই পায়ে হাঁটতে শুরু করে [১.৪.১, ১.৪.৭]।হোমো ইরেক্টাস (Homo erectus): যারা আগুনের ব্যবহার শেখে [১.৪.১]।নিয়ান্ডারথাল (Neanderthals): এরা আধুনিক মানুষের সবচেয়ে কাছের বিলুপ্ত প্রজাতি বা "সিস্টার স্পিসিস" (Sister Species) [১.২.৫, ১.৪.৫]। সংক্ষেপে, ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী আমরা মনুর বংশধর, আর বিজ্ঞান অনুযায়ী আমরা প্রাইমেট (Primates) বর্গের উন্নত বিবর্তিত রূপ। Manu | Encyclopedia.comEncyclopedia.comManu: The Cosmic Father of Humanity in Hinduism | Pujapathvedic Blogwww.pujapathvedic.comManu is believed to be the son of Brahma. Read on to know more ...FacebookShow all

More Chapters