Ficool

Unnamed

সুদীপ আর মৌমিতার ভালোবাসার গল্পটা অনেকটা ঝোড়ো হাওয়ার মতো, যা সব বাধা ভেঙে শেষে শান্ত হয়েছিল। আপনার দেওয়া পয়েন্টগুলো সাজিয়ে গল্পটি নিচে দেওয়া হলো:

নীল চিরকুট আর লাল গোলাপের শুরু

সুদীপ মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে, একটা ছোট প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করে। আর মৌমিতা শহরের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী অমলেশ বাবুর একমাত্র মেয়ে। টিউশনি পড়তে যাওয়ার পথে দুজনের আলাপ, যা সময়ের সাথে সাথে গভীর ভালোবাসায় রূপ নেয়। কিন্তু এই সম্পর্কের পথে পাহাড় সমান বাধা হয়ে দাঁড়ান মৌমিতার বাবা।

বাবার জেদ ও চরম অশান্তি

অমলেশ বাবু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না যে তার মেয়ে একজন সাধারণ চাকরিজীবীর সাথে জীবন কাটাক। তিনি মৌমিতার জন্য বড় এক ব্যবসায়ীর ছেলের সাথে বিয়ের সম্বন্ধ ঠিক করেন। মৌমিতা প্রতিবাদ করলে বাড়িতে শুরু হয় অশান্তি।

মৌমিতা সুদীপকে সব জানালে তারা সিদ্ধান্ত নেয় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করবে। কিন্তু অমলেশ বাবুর কানে সেই খবর পৌঁছে যায়। তিনি রাগের মাথায় ঠিক করেন সুদীপকে চিরতরের জন্য সরিয়ে দেবেন।

অন্ধকার রাত ও পুলিশের হানা

পালানোর ঠিক আগের রাতে, সুদীপ যখন নিজের গোছগাছ সারছিল, তখন হঠাৎ তার বাড়িতে পুলিশের হানা পড়ে। অমলেশ বাবু নিজের ক্ষমতা খাটিয়ে সুদীপের নামে চুরির এক মিথ্যা মামলা ঠুকে দেন।

সুদীপকে হাতকড়া পরিয়ে যখন থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সে শুধু একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে মৌমিতার কথা ভাবছিল। অন্যদিকে, মৌমিতাকে ঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। অমলেশ বাবু হাসিমুখে বললেন, "তোর হিরো এখন শ্রীঘরে, কাল সকালেই তোর বিয়ে।"

প্রেমের জয় ও মিলন

কিন্তু মৌমিতা দমে যাওয়ার মেয়ে ছিল না। সে জানত সুদীপ নির্দোষ। মাঝরাতেই সে তার এক উকিল বন্ধুর সাহায্যে সুদীপের নামে হওয়া মিথ্যা মামলার প্রমাণ জোগাড় করে এবং অমলেশ বাবুর প্রভাবের বিরুদ্ধে গিয়ে পুলিশের বড় কর্তার কাছে সব সত্যি খুলে বলে।

পরদিন সকালে বিয়ের মণ্ডপ যখন সাজানো, তখনই পুলিশ সুদীপকে সাথে নিয়ে সেখানে হাজির হয়। তবে আসামী হিসেবে নয়, বরং অমলেশ বাবুর মিথ্যে ষড়যন্ত্র ফাঁস করতে। মৌমিতা সবার সামনে দাঁড়িয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বলে, "বাবা, ভালোবাসা জোর করে আটকানো যায় না।"

অমলেশ বাবু নিজের ভুল বুঝতে পেরে এবং মেয়ের জেদ দেখে মাথা নত করেন। শেষ পর্যন্ত সবার সম্মতিতে সুদীপ আর মৌমিতার চার হাত এক হয়। পুলিশের সেই ভয়ংকর রাতটা যেন তাদের ভালোবাসার ভিত আরও মজবুত করে দিয়েছিল।

গল্পটা কেমন লাগলো বন্ধুরা গল্পটা ভালো লাগলে একটা লাইক কমেন্ট শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনাদের একটা লাইক কমেন্ট শেয়ার আমার মোটিভেশন বাড়াবে তাতে আমি আরো নতুন নতুন গল্প দিতে পারব। 🙏❤️🌹

Writer name : sudip karmokar....

More Chapters